May 17, 2026, 5:25 pm


বিশেষ প্রতিবেদক

Published:
2026-05-17 16:27:05 BdST

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি আওয়ামী দোসর, ছোট ভাই নাজমুল আমিন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্যতারেক রহমানের ফাঁসি চেয়েছিল ওসি রুহুল আমিনের ভাই নাজমুল আমিন


টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি শেখ রুহুল আমিনের ছোট ভাই শেখ নাজমুল আমিন ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর তার এক ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমানের ফাঁসি দাবি করেছিলো। উক্ত পোস্টে সে লিখেছিলো, "আলহামদুলিল্লাহ, লুৎফুজ্জামান বাবর,আবদুস সালাম পিন্টু সহ ১৯ জনের ফাঁসি, তারেক জিয়া, হারিস চৌধুরী সহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড....। তবে তারেকের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল"।

অন্যদিকে, ২০১৯ সালের ১৭ জুন ওসি রুহুল আমিন হারামিগীরি আনলিমিটেড এর একটি পোস্টের সূত্র ধরে পোস্ট করেছিলেন। সেখানে লিখে ছিলেন গ্রেনেড মেরে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছেন। তখন দেশে গণতন্ত্র ছিল? আইভি রহমানকে হত্যা করেছেন? তখন দেশে গণতন্ত্র ছিল? পাঁচ কিলোমিটার হাঁটার পরেও শেখ হাসিনাকে সিএমএইচ এ প্রবেশ করতে দেননি। তখন দেশে গণতন্ত্র ছিল? বোমা মেরে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করেছেন। তখন দেশে গণতন্ত্র ছিল? শাহ এস এম কিবরিয়াকে হত্যা করেছেন। তখন দেশে গণতন্ত্র ছিল? রাজপথে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপর পুলিশ দিয়ে অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছেন।

এখন, প্রশ্ন উঠেছে যে একজন পুলিশ কর্মকর্তা দেশের স্বার্থ রক্ষার চেয়ে একটি দলের আনুগত্য করতে গিয়ে নিজেকেই হারিয়ে ফেলেছেন। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তবে বর্তমান সরকারের শাসনামলে  আওয়ামী দোসর এই পুলিশ অফিসার কিভাবে, কার তদবিরে ৫ আগস্টের পর ওসি হলেন,তার খুটির জোর কোথায় তা অধরাই রয়ে গেছে।

ওসি রুহুল আমিন তার ফেইসবুক আইডিতে ২০২০ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে একটি কবিতাও লিখে ছিলেন। ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওয়াজেদ আলীর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার ফেইসবুক থেকে পোস্ট করে ছিলেন। এসব কারণে পতিত সরকার আমলে বিভিন্ন থানায় রুহুল আমিন ছিলেন ক্ষমতাধর "ওসি" (তদন্ত)। যেখানেই চাকরি করেছেন ক্ষমতার দাপটে সব সময় চাঙ্গা থাকতেন। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ তুললে তাকে নানাভাবে হয়রানি করা হতো। আবার ছোট ভাই নাজমুল আমিন ছিলো ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য। নাজমুল সম্প্রতি বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে অ্যাডভোকেট সনদ ভাগিয়ে নিয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি রুহুল আমিন ও তার ছোট ভাই সরাসরি আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তারাও দলবদল করেছেন। ছোট ভাই নাজমুল আমিন সম্পর্কে রুহুল আমিন জানিয়েছেন, নাজমুল আমিন আগে ছাত্রলীগ করতো, এখন বিএনপি করে। অথচ নাজমুল আমিনের ফেসবুক ওয়ালে আওয়ামী লীগের বাইরে কোন পোস্ট নেই। দ্য ফিনান্স টুডের কাছে রুহুল আমিন ও নাজমুল আমিনের অসংখ্য তথ্য এবং ডকুমেন্টস এসেছে। যা রীতিমতো অবাক করার মতো কান্ড। আগামী সংখ্যায় রুহুল আমিনের ধন-সম্পদসহ যাবতীয় বিষয়ে দেশ ও জনস্বার্থে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য শেখ নাজমুল আমিনের বড়ো ভাই শেখ রুহুল আমিন টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তিনি ও তার পরিবার নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন

অভিযোগ উঠেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নব্য বিএনপি বনে যান ওসি রুহুল আমিন। পুলিশ হেডকোয়ার্টারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে তার সখ্যতা গড়ে উঠে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পুলিশের ওসি পদে রদবদল হওয়ার সুবাধে রুহুল আমিন ওই পুলিশ অফিসারের দারস্থ হোন। কোন যাচাই-বাছাই ছাড়া ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর ওসি রুহুল আমিনকে পোস্টিং দেয়া হয় টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি হিসেবে।

তবে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের দাবী রুহুল আমিনকে লটারীর মাধ্যমে টাঙ্গাইল সদর থানায় বদলি করা হয়েছে। কিন্তু পতিত সরকারের দোসর হয়েও কিভাবে রুহুল আমিন ওসি পদে বহাল রয়েছে, তা নিয়ে সর্বত্রই প্রশ্ন উঠেছে। রুহুল আমিন গুপ্ত আওয়ামী লীগের দোসর, তা ইতোমধ্যে টাঙ্গাইল সদরের সর্বস্তরের মানুষ জানতে পেরেছে। সবার একটাই প্রশ্ন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ওসি রুহুল আমিনের শেল্টারেই রাতে বাসায় ঘুমায়। সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা কোন কাজে গেলে ওসি প্রতিমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। জুলাই-আগস্ট (২০২৪) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে ওসি রুহুল আমিন টাঙ্গাইল সদর থানার অধীনস্থ সদরফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ৫ আগস্টের পর তার ভাগ্য খুলে গেলে অষ্টগ্রাম থানার ওসি হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে সদরফাঁড়ির ইনচার্জ থাকাকালীন সময়ে পতিত সরকারের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা, ছোট মনির(এমপি), বড় মনির, জহের, ফারুক প্রমুখ সহ সকলের সাথেই ব্যাপক সখ্যতা ছিল বলে জানা গেছে। তাদের শেল্টারে বিএনপির নেতাকর্মীদের নিধন ও গ্রেফতার করে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, ওসি রুহুল আমিনের ভাই নাজমুল আমিন তারেক রহমান এবং সালাম পিন্টু, লুৎফুজ্জামান বাবর ও হারিজ চৌধুরির ফাঁসি চেয়েছে। তাও আবার ফেসবুকে পোস্ট করে দাম্ভিকতা দেখিয়ে। ছোট ভাইয়ের সব অপকর্ম ও অপরাধ জেনেও রুহুল আমিন কেন চুপ রয়েছেন? অবিলম্বে রুহুল আমিনকে অপসারণ করা হোক। একই সাথে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। নইলে সুযোগ বুঝে সরকারের আরো বড়ো ধরনের ক্ষতি এবং ষড়যন্ত্র করতে পারে রুহুল-নাজমুল গং। নাজমুল আমিনের সনদ বাতিলের জন্য আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অভিজ্ঞ মহল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর শেখ রুহুল আমিন টাঙ্গাইল সদর থানায় জয়েন্ট করেই বিএনপির প্রার্থীকে হারাতে গোপন মিশনে নামেন। ওই সময়ে ওসির গোপন মিশন ছিলো ওপেন সিক্রেট। রুহুল আমিন জয়েন্ট করার পর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কৃত নেতা ফরহাদ ইকবাল ও তার কর্মী সমর্থকদের নানাভাবে শেল্টার দেয়ার ঘোর অভিযোগ উঠে। বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেক্কারজনক ঘটনার একটি জিডি করা হয়েছিল। এই ওসি রুহুল আমিন ওই জিডির তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে চুপ থাকেন। ভেতরে ভেতরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত, বিএনপির বহিঃস্কৃত নেতাকে নির্বাচনী সহযোগিতা করেন। তার প্রমাণ নির্বাচনের আগে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সমর্থকদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়। মামলা টি সাদামাটা লেখুনির কারণে আসামীরা সহজেই জামিন পেয়ে যায়। এছাড়া মামলা নিতেও গড়িমসি করে সময় ক্ষেপণ করা হয়। তবে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবার পর মুহুর্তেই রুহুল আমিন বিএনপি বনে যান। এখন তিনি চাকরি বাঁচাতে টাঙ্গাইল সদরে বড়ো বিএনপি বনে গেছেন। এই গুপ্ত আওয়ামী দোসরের বিষয়ে টাঙ্গাইল সদরের এমপি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুও অবগত নয় বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, টুকু হলেন, টাঙ্গাইলের মাটি ও মানুষের গর্ব। টুকু মায়াবী চরিত্রের এক আলোকিত মানুষ। টাঙ্গাইল শহরে কিশোর গ্যাং, মাদক প্রতিরোধ, মাদক ব্যবসায়ীদের আটক, জুয়া বন্ধ সহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (এমপি)। অপরাধীদের ধরতে প্রশাসনকেও কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা ধীরগতিতে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারদলীয় এক নেতা এই প্রতিবেদককে বলেন, মাদক নির্মূল করতে হলে আগে মাদক কারবারিদের গ্রেফতার করতে হবে। কিন্তু তারা তা না করে মাদকসেবীদের ধরে এনে গ্রেফতার বাণিজ্য করে। টাঙ্গাইল সদরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মাদক স্পষ্ট এবং জুয়ার আসর থেকে মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার শেল্টারে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা মামলা থাকা সত্বেও দিব্যি বাসায় ঘুমাচ্ছে বলেও অভিযোগ আছে।

এদিকে, টাঙ্গাইল জেলায় সঙ্ঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে প্রকাশ, থানা সংলগ্ন কান্দাপাড়া মাদক স্পটের মুল হোতা দিপুকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল-হাজতে প্রেরণ করেছে। কিন্তু তার মাদক স্পট বন্ধ হয়নি। লাল বাবু নামে ক্লিনারের মাধ্যমে কান্দাপাড়া মাদক স্পট চলছে রমরমা। ওই স্পট থেকে আগে কনস্টেবল আনোয়ার (মেস ম্যানেজার) মাসোহারা উঠিয়ে ওসিকে দিতো। কিন্তু আজাদের সাথে টাকার ভাগভাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে মেস ম্যানেজার কনস্টেবল আনোয়ারকে নাগরপুর থানায় বদলি করা হয়েছে। এখন ওসির বডিগার্ড আজাদের মাধ্যমে মাসিক তিন লাখ টাকা লাল বাবুর কাছ থেকে আনা হয় বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বডিগার্ড আজাদকে জুলাই পরবর্তী ডিএমপিতে বদলি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তদবিরের মাধ্যমে গোপালপুর থানায় বদলি হয়। কিছুদিন পর আবার টাঙ্গাইল সদর থানায় বদলি হয়ে আসে। আজাদ ফের অফিসার ইনচার্জের বডিগার্ড হিসেবে নিয়োজিত হয়েছে।

কথিত আছে, বিভিন্ন মাদক স্পট থেকে ওসির মাসিক অবৈধ আয় প্রায় বিশ লাখ টাকা। যা বডিগার্ড আজাদদের মাধ্যমেই উত্তোলন করেন। ২০২৪ জুলাই-আগস্টের আগে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী অফিসার ইনচার্জের বডিগার্ড হিসেবে কনস্টেবল আজাদ দায়িত্বরত ছিলো। যে কারণে টাঙ্গাইল শহরের অবৈধ সকল স্পট তার নখদর্পনে। ওসি রুহুল আমিন যোগদানের পরেই কনস্টেবল আজাদকে গোপালপুর থানা থেকে বদলি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় এনে তার বডিগার্ড (মাসোয়ারা উত্তোলনের) ব্যক্তি নিয়োজিত করেন। ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালানোর বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও কনস্টেবল আজাদের বিরুদ্ধে থাকা সত্বেও আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের তদবিরে তাকে সদর থানায় রাখা হয়। আজাদকে নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে কনস্টেবল আজাদকে টাঙ্গাইল জেলা থেকে ডিএমপিতে বদলি করা হয়। আজাদের মাধ্যমে জুয়ার আসর থেকেও ওসির নামে মোটা টাকা আসে। তাছাড়া পতিতালয় থেকে অবৈধ আয়ের অধিকাংশই ওসির পকেটে যায়। আসামি বানিজ্য এবং মামলা বাণিজ্য চলছে রমরমা।

উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিনের কাছে জানতে চাওয়া হলে, তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিভিন্ন প্রোগ্রামে ছবিগুলো উঠিয়েছি। আর আমার ছোট ভাই নাজমুল আমিন আগে ছাত্রলীগ করতো, এখন বিএনপি করে। বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে ওসিকে প্রশ্ন করার চেষ্টা করা হলে তড়িঘড়ি করে ফোন কেটে দেন।

এই বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য টাঙ্গাইল সদরের এমপি এবং বর্তমান সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শহরবাসী।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.