06/09/2026
আব্দুর রহিম | Published: 2026-06-08 22:20:37
গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠের কারখানা সার্কেল-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী জুবায়ের বিন হায়দারের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে প্রভাব বিস্তার, বিভিন্ন ক্রয় প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও অযাচিত হস্তক্ষেপ করে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
২০১২ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান, এরপর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, অতঃপর ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পদোন্নতি পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী হয়ে বর্তমান কর্মস্থলে যোগ দেন জুবায়ের বিন হায়দার।
সম্প্রতি, বিভিন্ন মহল থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী জুবায়েরের বিরুদ্ধে ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সাথে আঁতাত, টেন্ডার জালিয়াতি আর নিম্নমানের যন্ত্রপাতি দিয়ে সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।
গণপূর্তের কাঠের কারখানা সার্কেল-৩-এর আওতাধীন বিভিন্ন টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় সরাসরি প্রভাব খাটিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
১০ কোটি টাকার বিলের অনিয়ম
সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম, কাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও সরঞ্জাম সরবরাহে কারসাজি করে অবৈধ অর্থ উপার্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
উল্লেখযোগ্য সম্পদ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউয়ে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, কিশোরগঞ্জের ইটনায় জমি এবং পূর্বাচলে ২০ কাঠা প্লট থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এখানেই শেষ নয়; তার বাবা-মা থাকেন নারায়ণগঞ্জে, সেখানেও খোঁজ মিলেছে তার বিপুল সম্পদের। নিজে সরকারি গাড়িতে চড়লেও বাবা-মার ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রেখেছেন আলাদা বিলাসবহুল গাড়ি!
গণপূর্তের একজন নির্বাহী প্রকৌশলীর বেতন সব মিলিয়ে বড়জোর ৮০ হাজার টাকা। আর পুরো কর্মজীবনে বৈধ আয় সর্বোচ্চ ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা।
তাহলে জুবায়ের বিন হায়দারের বিপুল সম্পদের উৎস কী?
দুদক কি খতিয়ে দেখবে এই আলাদিনের চেরাগের রহস্য? এই বিষয়ে দ্য ফিন্যান্স টুডের একটি বিশেষ টীম
সংশ্লিষ্টদের দাবি, তাঁর এই বিপুল পরিমাণ দৃশ্যমান সম্পদ মূলত সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ ও ঠিকাদারী সিন্ডিকেটের কমিশন থেকে অর্জিত হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে জুবায়েরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman
Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81