01/10/2026
শাহীন আবদুল বারী | Published: 2026-01-08 11:27:20
সারা বাংলার পরিচিত মুখ, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নির্বাচনী প্রচারণা জমে উঠেছে। প্রতিটি পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার, চায়ের স্টল এবং অফিস-আদালতে জমজমাট আড্ডায় টুকুর পক্ষে জোয়ার উঠেছে।
টাঙ্গাইল-৫ আসনের যুবক-যুবতি, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কৃষক-দিনমজুর, রিকশাওয়ালা এবং তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দিচ্ছে। তাদের একটাই কথা টুকুকে ভোট দিলে তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী হবে।
চর এলাকার ভোটাররা জানান, বিএনপি তথা সর্বস্তরের জনগণের দুঃসময়ের বন্ধু টুকু। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী। রাজপথের লড়াকু যোদ্ধা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) থেকে বিপুল ভোটে টুকু নির্বাচিত হবে বলে সর্বস্তরের মানুষ প্রত্যাশা করেন।
টাঙ্গাইলের হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটাররাও আস্থা রেখেছেন টুকুর উপর। তারা জানান, বিগত সরকারের আমলেও আমরা ব্যবসা-বাণিজ্য নিরাপদে করতে পারিনি।
তারা আরও বলেন, টাঙ্গাইল-৫ আসনে ৭০ হাজার হিন্দু ভোটার রয়েছে। টুকু ভাই আমাদের সাথে সহনশীল আচরণ করছেন। প্রতিনিয়ত আমাদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। টুকু ভাই'র বিনয়ী আচরণে আমরা মুগ্ধ। তিনি এমপি হলে টাঙ্গাইল হবে উন্নয়নের মডেল শহর। যার আপাদমস্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া। টাঙ্গাইলের মানুষ বিশ্বাস করে তারেক রহমান সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মনোনয়ন দিয়ে টাঙ্গাইলে বিএনপির ভঙ্গুর রাজনীতিকে স্বাবলম্বী করেছেন। টুকু পরিবারের আত্মত্যাগকে জিয়া পরিবার মূল্যায়ন করেছেন। আগামী ১১ জানুয়ারি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের টাঙ্গাইলে আগমনের খবরে গোটা জেলায় আনন্দের বাতাস বইছে। নেতাকে একনজর দেখার জন্য অপেক্ষায় টাঙ্গাইলবাসি।
প্রতিনিয়ত সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সমর্থন বাড়ছে। প্রতিটি গ্রামে দলীয় নেতাকর্মীরা সংগঠিত হয়ে টুকুর জন্য ভোট চাচ্ছেন। মহিলা ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে টুকুর পক্ষে ভোটের জন্য সকলের দরজায় কড়া নাড়ছেন। এই কনকনে ঠান্ডা তাদেরকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। সকলের মুখে রব উঠেছে ধানের শীষের জয় হবে, টুকু এমপি হবেন।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, টুকু আঁকড়ে ধরে রেখেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ। হুকুম তামিম করেছেন বেগম খালেদা জিয়ার। তিলে তিলে নিজেকে নিঃস্ব করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রেখেছেন। বিএনপির বিপ্লবী এই নেতা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে পুলিশের লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত হয়েছেন। আওয়ামী দুঃশাসনের আমলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। এটাই ছিলো টুকুর প্রতিদিনের রুটিন।
তারেক রহমান টুকুকে নমিনেশন দিয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে উজ্জীবিত করেছেন। বিএনপির কঠিন দুঃসময়ে সময়ের পরীক্ষিত নেতা টুকুকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে মূল্যায়ন করার সময় এসেছে।
রাজনীতির ময়দানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে মাঠের যেসব নেতাকর্মী রাজপথে রক্ত ঝড়িয়েছে, জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় বিএনপির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। টুকুর দলের জন্য যে আত্মত্যাগ তা তারেক রহমান নিজেও অবগত আছেন। বেগম খালেদা জিয়া টুকুকে নিজের সন্তানের মতো স্নেহ-মায়া করতেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর দলের জন্য যে অবদান তা শুধু দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের কাছেও টুকুর গ্রহণযোগ্যতা অপরিসীম।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর টাঙ্গাইলের ভঙ্গুর রাজনীতির হাল ধরেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি দলের জন্য, ধানের শীষ প্রতীকের সাথে যারা আছেন তাদেরকে একত্রিত করতে সক্ষম হয়েছেন। এটি সম্ভব হয়েছে টুকুর মেধা, পরিশ্রম ও সাংগঠনিক যোগ্যতার ভিত্তিতে।
টাঙ্গাইল-৫ আসনে টুকুর বিপরীতে অবস্থান নিয়ে যারা নির্বাচন করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী দোসরদের শেল্টার দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। তারা মামলা বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের সুযোগ গ্রহণ করেছেন। টুকু তাদেরকে সামাল দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। যে কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিএনপির হাইকমান্ড বিষয়গুলো সঠিক তদন্ত করে সুবিধাবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এটাই টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি।
টুকুর সমর্থকেরা জানান, আওয়ামী দুঃশাসনে নিষ্পেষিত, নির্যাতিত ও জেল-জুলুমের শিকার সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আওয়ামী সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে ৩৩৮ টি মিথ্যা মামলা মোকাবেলা করেছেন। ১২ বার জেল খেটেছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের যাতাকলে টুকুর জীবন থেকে হারিয়ে গেছে ৫টি বছর। টুকুর সহধর্মিনী সায়মা পারভীন সিম্মি প্রশাসনের ধারে ধারে ঘুরেও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সন্তান ও স্বজনদের নিয়ে অর্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। তাঁর আর্ত চিৎকারে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠলেও সাম্মির আর্তনাদে সাড়া দেয়নি হাসিনার প্রশাসন যন্ত্র। টুকুকে জেলের বাইরে ও ভেতরে কয়েকবার মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়। টুকুর বড় ভাই সাবেক এমপি এডভোকেট আবদুস সালাম পিন্টু বিনা দোষে কারাগারে ছিলেন প্রায় ১৭ বছর। পরিবারের অন্য সব ভাইদের উপরও চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল জঙ্গির সাথে সম্পৃক্ত সাজানো মামলা। এই পরিবারটিকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে নানা বানোয়াট, মিথ্যাচার ও নির্যাতন করেছে পতিত সরকার। টুকু পরিবারের উপর স্পর্শকাতর নির্যাতন চালানো হয়েছে । শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধরে রাখতে, পরিবারের মায়া ত্যাগ করে জীবনের প্রায় সবটুকু সময় ব্যয় করে যাচ্ছেন দলের জন্য। এখনও টুকুর বিরুদ্ধে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে।
হাসিনা সরকারের অন্যায়, অবিচার প্রতিহত করতে গিয়ে পুলিশের লাঠির আঘাতে অসংখ্যবার রাজপথে রক্তাক্ত হয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। রাজপথে আন্দোলনের সময় গাড়ির গ্লাস ভেঙে রক্তাক্ত অবস্থায় টেনে হিচড়ে বের করে টুকুকে মিন্টু রোড়ে নিয়ে চোখ বেধে নির্মমভাবে পিটিয়েছে হাসিনার পুলিশ বাহিনী। মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি শিরোনাম হয়েছেন বিএনপির নির্যাতিত নেতা টুকু।
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া টুকুর সাহস, শক্তি, মেধা, ধৈর্য ও সাংগঠনিক দক্ষতার প্রশংসা করতেন প্রায় সময়। টুকুকে মূল্যায়ন করে ২০২৪ সালে বিএনপির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব দেন তারেক রহমান। টুকুর রাজনৈতিক এবং নৈতিক আচরণের কারণে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত বিশ্বস্ত হয়ে উঠেন। বিএনপির কঠিন সময়ে মাঠের নেতাদের মধ্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু অন্যতম।
টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। টুকুর অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টায় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। টাঙ্গাইল-৫ আসনে জনপ্রিয়তায় টুকু সবার থেকে এগিয়ে। টাঙ্গাইলের ভঙ্গুর রাজনীতিতে টুকুর সার্বিক প্রচেষ্টায় সর্বস্তরের জনগণ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে এক সুন্দরময় অবস্থা ফিরে এসেছে। কতিপয় স্থানীয় শীর্ষ নেতা টুকুর রাজনৈতিক গঠনমূলক কর্মকান্ড দেখে হতাশায় ভুগছেন। ওই সকল নেতারা ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে গিয়ে দলের ক্ষতিসাধনে লিপ্ত রয়েছেন। তাদের মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র মিডিয়ায় বার বার প্রচার হয়েছে। বিএনপির হাইকমান্ড কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিএনপির জাতীয় পর্যায়ের নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মেধা, কৌশল ও ধৈর্যের সাথে সবকিছু মোকাবেলা করে এগিয়ে যাচ্ছেন। দল ও নেতাকর্মীদের স্বার্থে একের পর এক ষড়যন্ত্র প্রতিহত করছেন। অপরদিকে মিথ্যা প্রচারনা আর অপবাদের যারা আশ্রয় নিয়েছেন তাদের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে। দলের নেতাকর্মীসহ জনবিচ্ছিন্নতায় ক্রমেই ছিটকে পড়ছেন তারা।
টাঙ্গাইল-৫ আসনের জনমানুষের কাছে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর গ্রহনযোগ্যতার অন্যতম কারণ হচ্ছে, তিনি এমপি না হয়েই বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে সদর উপজেলার বিশাল চরাঞ্চলের উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। ইতিমধ্যে টুকুর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও তদবিরের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ শুরু হবার পথে।
তাঁর বিনয়ী আচরণ টাঙ্গাইল সদরের মানুষের কাছে প্রশংসার পাশাপাশি গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে। গরীব, অসহায় মানুষের নেতা টুকুর জন্য ভোটযুদ্ধে নেমেছেন ১২ টি ইউনিয়ন ও টাঙ্গাইল পৌরসভার বিএনপির নেতাকর্মীরা।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের সাথে কতিপয় নেতা থাকলেও অধিকাংশ নেতাকর্মী টুকুর সাথে যোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সাথে যোগসাজশ করে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করতে চায় ফরহাদ ইকবাল। তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীদের জমিজমা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রক্ষার অভিযোগ রয়েছে। যে আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন, নিপীড়ন ও ভয়াবহ অত্যাচার করেছে, তাদের শেল্টারদাতা এখন ফরহাদ ইকবাল।
জেলা শহর থেকে তৃনমুল পর্যায়েও একই কায়দায় কিছু বিপথগামী নেতা তাদের শেল্টার দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ সাড়ে ১৫ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২৮১ টি মামলায় অন্তত নয় হাজার নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়। টাঙ্গাইল থেকে বিএনপি নিধন করতে নেয়া হয় বিশেষ পরিকল্পনা। এর অংশ হিসেবে হাফ ডজন নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। কত নেতাকর্মী পঙ্গুত্ব বরন করেছেন তার হিসাব নেই। বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করা হয়। নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়ে অনেকে দেশত্যাগ করেন। টাঙ্গাইলে গণহারে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পান আওয়ামী নেতাকর্মী ও সন্ত্রাসীরা। পতিত সরকারের পুলিশের গুলিতে জুলাই অভ্যুথানে টাঙ্গাইলের নয়জন ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে টাঙ্গাইলে আহত হয়েছে দুইশ’ ৭০ জন। যাদের বেশিরভাগই বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সব কিছুকে সামলিয়ে বিএনপিকে একটি শক্তিশালী জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন। বিএনপির যে সব শীর্ষ নেতা আওয়ামী দোসরদের শেল্টার দিচ্ছেন তাদের মুখোমুখি শত্রুতে পরিনত হয়েছেন টুকু। টাঙ্গাইলে বিএনপির রাজনীতিতে টুকুর বিকল্প নেই বলেই দাবি করেছেন তৃণমূলের ত্যাগি নেতাকর্মীরা।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমাদের পরিবারকে টার্গেট করেছিল। বিএনপিকে ধ্বংসের জন্য তাদের এই লক্ষ্য ছিল। তবে আমরা তাতে দমিনি। নিশ্চিত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে জাতীয়তাবাদী ঝান্ডা বহন করেছি। এখন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের কাজ করছি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে নমিনেশন দিয়েছেন। এমপি হতে পারলে, আর আল্লাহর রহমত হলে টাঙ্গাইলকে বদলে দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
টুকুর জনপ্রিয়তা ও সদরে উন্নয়নের ছোঁয়া
টাঙ্গাইল- ৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নিজেকে সাধারন মানুষের কাছে তুলে ধরতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফলে ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকার মানুষের কাছে টুকু একটি জনপ্রিয় নাম। টুকুর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও তদবিরে বিশেষ করে বিশাল চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ-মন্দিরের উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।
মাহমুদ নগর ইউনিয়নের বহুলী ও মাকোরকোলের মধ্য দিয়ে ধলেশ্বরী নদীর উপর প্রায় এক কিলোমিটার একটি ব্রীজ নির্মাণের জন্য এলজিইডি থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে টুকুর আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণে। নির্বাচনের পর টেন্ডারের মাধ্যমে ব্রীজটির কাজ শুরু হবে। বর্ষাকালে নদীটি পানিতে পরিপূর্ন থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে নদীর তলদেশে ১/২ ফিট পানি থাকে। প্রায় অধিকাংশ অংশে বালি জমে থাকে। অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন ইঞ্জিন চালিত খেয়া নৌকায় নদী পাড় হয়ে টাঙ্গাইল সদরে আসা যাওয়া করে থাকেন। শুষ্ক মৌসুমে ঘোড়ার গাড়ি, অটোরিকসা ও পায়ে হেঁটে ওই এলাকার আড়াই থেকে তিন হাজার মানুষ নদী পাড়া-পাড় হয়।
মেজর জেনারেল হাসান মাহমুদ বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে টাঙ্গাইল সদর হতে ধলেশ্বরী নদীর পর্ব পাড় পর্যন্ত পাকা রাস্তা নির্মান করেছিলেন। কিন্তু ব্রীজটি নির্মান করতে পারেননি। তাই টাঙ্গাইল পশ্চিম পাড় সহ চৌহালী উপজেলার মানুষের প্রানের দাবি ধলেশ্বরী নদীতে একটি আরসিসি ব্রীজ নির্মান হোক। প্রায় ৭০০ মিটার এই ব্রীজের একটি ছাড়পত্র বিআইডব্লিউটিএ থেকে এলজিইডিতে পাঠানো হয়েছে। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
চরাঞ্চলের মানুষ মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের পর সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর উপর ভরসা রেখেছেন। তিনি ইতোমধ্যে চর অঞ্চলের মানুষের পাশে বিভিন্নভাবে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর সুপারিশে ৮ টি রাস্তার কাজ পাশ হয়েছে। এছাড়াও মসজিদ ও মাদ্রাসা সহ বহু সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। চর এলাকার মানুষ সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। তিনি এমপি হলে মন্ত্রীও হবেন ইনশাআল্লাহ। একইভাবে সদরের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। একটি শিশু বাচ্চাও টুকুর বিনয়ী আচরণে মুগ্ধ। রাস্তার ভিক্ষুকও টুকুর সুন্দর ব্যবহারে খুশি ও সন্তুষ্ট।
দলীয় সুত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দলে ভিড়িয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন ফরহাদ ইকবাল। যার প্রমাণ হচ্ছে, ১২ নং মাহমুদ নগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুর রশিদ বর্তমান আওয়ামী চেয়ারম্যান আসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতর মামলা করেছিলেন। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মোটা টাকার বিনিময়ে মামলাটি উঠিয়ে নিতে চাপ প্রয়োগ করেন। আওয়ামী চেয়ারম্যান আসলামকে নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করেন এড. ফরহাদ ইকবাল। তিনি বিভিন্ন সমাবেশে বিএনপিকে নিয়েও অকথ্য ভাষায় কথা বলেন। নিজেকে তৃণমূলের নেতা দাবি করেন। অথচ তিন বছর পেরিয়ে গেলেও কমিটি দিতে পুরো ব্যর্থ হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে পদ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্য এবং আওয়ামী দোসরদের শেল্টার দিয়ে অবৈধ টাকা উপার্জনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে তদন্ত করে দলীয়ভাবে ফরহাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মহল।
Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman
Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81