32920

05/19/2026

বিআইডব্লিউটিএ দুর্নীতির আখড়া, নৌমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

বিশেষ প্রতিবেদক | Published: 2026-05-19 13:07:27

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-র অধীনে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। উক্ত দপ্তরে আওয়ামী সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরেই নিয়োগ বাণিজ্য করে আসছে অভিযোগ রয়েছে। তারা আগে থেকেই তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের কাছে পরীক্ষার প্রশ্ন দিয়ে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করিয়ে নেয়। এই পুরো প্রক্রিয়া সূক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় এই ঘৃন্য অপরাধের সাথে আসলে কারা জড়িত তা এখনও জানা যায়নি।

সূত্রমতে, জনপ্রতি ৮/১০ লাখ টাকা চুক্তিতে চাকরি দেয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অথচ নিয়ম অনুযায়ী মৌখিকভাবে পরীক্ষা নিয়ে চাকরি দেয়ার কথা। কিন্তু নিয়োগ কমিটির দাবি, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয়।

অভিযোগে প্রকাশ, গত ১৬ মে মিরপুর বাংলা স্কুল এন্ড কলেজ (বালক,বালিকা শাখা) ও মিরপুর গার্লস আইডিয়াল কলেজে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। বিকেল ৩ টা থেকে ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত এই পরীক্ষা চলে। কিন্তু এর আগেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়। সিন্ডিকেটের সদস্যরা তাদের পরীক্ষার প্রশ্ন নিজেদের মনোনীতদের হাতে পৌঁছে দেয়। বেলা ২.৫৪ মিনিটে ওই প্রশ্নের উত্তর পত্র দ্য ফিনান্স টুডের হাতে আসে। তৎক্ষণাৎ পুরো কেন্দ্র জুড়ে হৈ চৈ পড়ে। নিয়োগ কমিটির এহেন অনিয়মের বিষয়টি পরীক্ষারর্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে কমিটি বলছে, পরীক্ষা নেয়ার দায়িত্ব তাদের না। পরীক্ষা নেয়ার দায়িত্ব মেরিডিয়ান ইউনিভার্সিটির। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে উদাসীনতা দেখাচ্ছে। তারা এসব অভিযোগ আমলে নিতে নারাজ। ভুক্তভোগী মহল নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং নৌমন্ত্রী রবিউল ইসলামের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ১৯৯০ নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হোক।

জানা যায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-০৩/২০২৫ অনুযায়ী বিআইডব্লিউটিএ,তে ২১ জন লস্কর(বেতন গ্রেড-১৯), ১ জন বাস হেলপার (বেতন গ্রেড-২০), ২৩ জন শুল্ক প্রহরী (বেতন গ্রেড-২০),৬জন মার্কম্যান (বেতন গ্রেড-১৯),১৩ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী (বেতন গ্রেড-২০) ও ২ জন ড্রাইভার (বেতন গ্রেড-১৬) নেয়া হবে। বাংলাদেশ গেজেট অতিরিক্ত, নভেম্বর-৮(১৯৯০) নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন হবার কথা। কিন্তু সিন্ডিকেটের সদসরা তা না করে, অসাধু কর্মকর্তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিয়োগ বিধি-২৩ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, এমএলএম, গার্ড,নৈশ্য প্রহরী, শুল্কপ্রহরী, এস্টেট প্রহরী, মালি, বেয়ারার, ঝাড়ুদার, গুদাম সাহায্যকারী, ক্লিনার, হেলপার, কয়াল ও ঘাট মেসেঞ্জার নিয়োগের ক্ষেত্রে ৮ম শ্রেণী পাশ হতে হবে। এসব চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তিকে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করার আদেশ জারি আছে।

২০২৫ সালে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নিয়োগ নিয়ে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে পত্রিকায় নিউজ প্রচারিত হয়। পত্রিকার নিউজ এবং ভুক্তভোগীদের প্রতিবাদ আমলে না নেয়ায় পতিত সরকারের দোসররা এখনো সক্রিয়। দোসরদের অন্যতম হোতা বিআইডব্লিউটিএ'র শ্রমিক লীগের সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আকতার ও সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ারের মাধ্যমে কমিটি চাকরির নিয়োগ দিয়ে থাকে বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আকতার-ছরোয়ারের মাধ্যমে এবারও মোটা দাগে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে কমিটি।

উল্লেখ্য যে, এই নিয়োগ পরীক্ষার আহবায়ক হলেন মোঃ সাজেদুর রহমান, যুগ্ম সচিব (মেম্বার, পরিকল্পনা ও পরিচালন) এবং সদস্য সচিব মোঃ কবির হোসেন,(অতিরিক্ত পরিচালক; প্রশাসন ও মানব সম্পদ)। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, গোপাল বাবু (পরিচালক, হিসাব), মোঃ গোলাম ফারুক (নিরীক্ষা) এবং মোঃ মিজানুর রহমান (যুগ্ম পরিচালক, প্রশাসন ও মানব সম্পদ)।

অভিযোগে আরও জানা যায়, এই চক্রটি পতিত সরকার আমল থেকেই সক্রিয়। এক ছরোয়ারই সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান ও প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর মাধ্যমে আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জেলার কয়েকশ' লোকের চাকরি দিয়েছে। সঙ্ঘবদ্ধ চক্র টাকার মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিদের চাকরি দেয়ায় মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ গুলো তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী মহল।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ মাঝে মধ্যে এই চক্রের সদস্যদের কাউকে কাউকে আটকও করেছে। কিন্তু শেষ অবধি এসব বিষয় অজ্ঞাতই থেকে যায়। ফলে এই চক্র নতুন নতুন উৎসাহ নিয়ে নিজ নিজ কর্মে বহাল তবিয়তে আছে।

বিআইডব্লিউটি'এর এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে উল্লেখ করে ভুক্তভোগীরা বলেন, এসব নিয়োগে অনিয়ম এবং জালিয়াতি হয় সাধারণত লিখিত পরীক্ষায়। উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বঞ্চিত হওয়া কয়েকজন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগেই লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দিয়ে দেয়ায় তারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পরীক্ষার্থীরা সরাসরি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তারা বলেন, এই পরীক্ষায় পূর্বের ছবির সঙ্গে প্রার্থীর চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়নি। পরীক্ষার্থীদের স্বাক্ষরের সঙ্গেও বর্তমান স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখা হয়নি যা ভুয়া পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ হিসেবে দেখছেন বঞ্চিতরা। পাশাপাশি এই সুযোগে ব্যাপকহারে মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইসের ব্যবহার হয়েছে। যেসকল পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদেরকে যদি একই প্রশ্ন দিয়ে আবারও পরীক্ষা নেয়া হয় সেক্ষেত্রে তারা শতকরা ত্রিশের বেশি নম্বরও পাবেন না। অথচ এই পরীক্ষায় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। শুধু এরা গুটি কয়েক বাক্তি না, এরকম আরো অনেক প্রার্থী যারা অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কিছু পরীক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট কেন্দ্রের বাইরেও পরিক্ষা নেওয়া হয়েছে যার সঠিক অনুসন্ধান করলে জালিয়াতির মুখোশ উম্মচিত হবে বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।

বিআইডব্লিউটি'এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ইতিপূর্বেও এই দফতরে বিভিন্ন নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মের অনেক ঘটনা ঘটেছে। আর এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে আওয়ামী দোসররা জড়িত। তিনি বলেন, কারিগরি পুলের বিভিন্ন ক্যাটাগরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একটি বড় সিন্ডিকেট সংঘবদ্ধ ভাবে কাজ করে। যেখানে কয়েকটি ধাপে এই অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়। প্রথমে নির্ধারিত প্রার্থীর সঙ্গে নিয়োগের নিশ্চয়তা ঘিরে চুক্তি হয় মোটা অংকের অনৈতিক অর্থ লেনদেনের। অতঃপর পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে পাঠানো ডামি পরীক্ষার্থী বা বডি চেঞ্জ পরিক্ষার্থী। লিখিত পরিক্ষায় ডামি প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় ধাপে চলে প্রাকটিক্যাল পরিক্ষা। সেখানেও মূল প্রার্থীর পরিবর্তে অংশ নেয় ডামি প্রার্থী। এরপর শেষ ধাপে চলে ভাইবা জালিয়াতি। ডামি পরিক্ষার্থী বা বডি চেঞ্জ প্রার্থী এসে ভাইবা দিয়ে চলে যায় অনায়েশে। এক্ষেত্রে লেনদেন চলে তিন ধাপে। লিখিত পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর চুক্তির ৩০% প্র্যাকটিক্যাল হবার পর ৩০% এবং সর্বশেষ ভাইবা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর বাকী ৪০% টাকা লেনদেন হয়। যার পুরোটাই ভাগবাটোয়ারা করে নেয় সংঘবদ্ধ চক্র। এর সাথে নিয়োগ কমিটির সদস্যরা জড়িত থাকেন মুল ভুমিকায়। পতিত সরকার আমলে এই প্রতারণা চালু হয়েছে। ইতোমধ্যে বিআইডব্লিউটিসির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

অপরাধ বিশ্লেষকের মতে, একটি প্রতিষ্ঠান কতটা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করবে, তা অনেকটা নির্ভর করে অভ্যন্তরীণ সুশাসন ও শৃঙ্খলার ওপর। বিআইডব্লিউটি'এর মতো প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি আরও বেশি প্রযোজ্য। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। কর্তৃপক্ষ বিষয় গুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই ঘটনার সাথে যারা সমৃদ্ধ তাদের মুখোশ উন্মোচন হওয়া জরুরি।

একই হাতের লেখায় কয়টা উত্তরপত্র রয়েছে, উত্তরপত্রে পরীক্ষার্থী ও মূল্যায়নকারীর স্বাক্ষর আছে কি না তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান ভুক্তভোগী মহল। প্রশ্ন উত্তর পত্রের টপশিটে ব্যক্তিগত তথ্যাদি ও প্রার্থীর স্বাক্ষরে লেখায় মিল আছে কিনা, নামের বানানের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের বানান ভিন্ন কিনা, হাজিরা শিট এবং টপশিটের স্বাক্ষর ভিন্ন কিনা, মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার সময় লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্নের উত্তরে সাথে হাতের লেখা মিলিয়ে দেখাসহ হল পরিদর্শকের স্বাক্ষরের মধ্যেও পার্থক্য থাকলে তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের। তবে এসব কিছুর জন্য ভুক্তভোগীরা সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছে। বিআইডব্লিউটিএ চাইলে প্রতিষ্ঠান টি ঢেলে সাজাতে পারে। কিন্তু চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে অধিকাংশ কর্মকর্তা দুর্নীতি ও অনিয়মে জর্জরিত। পতিত সরকার আমলে প্রতিষ্ঠান টি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। যা এখনো পরিবর্তনের কোন ছোয়া লাগেনি। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের চেয়ে বিআইডব্লিউটিএ'তে অধিক পরিমাণে দুর্নীতি হয়। দুর্নীতি পরায়ণ অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকেও মামলা এবং অভিযোগ আছে।

পরীক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি হয়েছে। লাখ লাখ টাকা নিয়োগ বাণিজ্য হয়েছে। পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের দাবী, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে কোনো যোগ্য প্রার্থী এমন অবিচারের শিকার না হোন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা জানান,সরকারের উচিত পতিত সরকার আমলে যেসব লোক নিয়োগ হয়েছে তা যাচাই-বাছাই করা হোক। তাহলে অনেক সন্ধান মিলবে নিয়োগের কি পরিমাণ অনিয়ম হয়েছে। নইলে নতুন নতুন কর্মসংস্থান করতে সরকার বিপাকে পড়বে।

এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নিয়োগ কমিটির আহবায়ক মোঃ সাজেদুর রহমান (সদস্য পরিকল্পনা ও পরিচালন) এই প্রতিবেদককে বলেন, পরীক্ষা নিয়েছে মেরিডিয়ান ইনভার্সিটি। খাতাও তারাই দেখেন। আমাদের কোন হাত নেই। কাজেই প্রশ্ন পত্র ফাসঁ হবার সুযোগ নেই। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়মের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটিও সঠিক নয়। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয়। তিনি বলেন,তাকে ছাড়া নিয়োগ কমিটিতে আরো ৪জন রয়েছেন।


Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman

Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81