02/27/2025
মীর ফজলে রাব্বি | Published: 2024-01-05 08:50:50
বাংলাদেশের মেগা প্রকল্পের জন্য সফল একটি বছর ছিল ২০২৩। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল, পদ্মা ব্রিজ রেলওয়ে প্রজেক্টের মত প্রকল্প গুলো টেকসই ভবিষ্যতের জন্য কার্যকরভাবে বীজ রোপণ করছে।
২০২৪ সালেও কয়েকটি মেগা প্রকল্পের সুবিধা পেতে যাচ্ছে দেশবাসী। এসকল প্রকল্প ব্যায়বহুল হলেও এর ফলাফল হবে সুদূরপ্রসারী।
দেখে নেয়া যাক নতুন বছরে উল্লেখযোগ্য মেগা প্রকল্পগুলো্র বিস্তারিত।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
২.৪ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি পরিকল্পিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর নামক স্থানে নির্মীত হচ্ছে।
এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকার বেশি অর্থায়নে রাশিয়ার রোসাটোম স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্মিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর ব্যবহারের দ্বারপ্রান্ত খুলে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এর প্রথম ইউনিট চালু হবে
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপদ্বীপে চালু হয়েছে দেশের ৬ষ্ঠ বিদ্যুতকেন্দ্র মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। জাপানের সাহায্যে ১৬০০ একরের পরিত্যাক্ত লবণমাঠে গড়ে উঠেছে এই বিশাল প্রকল্প।
মোট ১২০০ মে.ও. বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম এই বিদ্যুতকেন্দ্র। ইতোমধ্যে ২০২৩ সালে ১ম ইউনিটের সরবারাহ শুরু হয়ে গেছে। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ২য় ইউনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। এতে গভীর সমুদ্র চ্যানেলের উপযুক্ত ব্যবহারে উপকৃত হবে কক্সবাজার, মহেশখালীর জনগণ।
যমুনা বঙ্গবন্ধু রেলসেতু
২০২৪ সালে রেলপথে সংযুক্ত হতে যাচ্ছে যমুনা বঙ্গবন্ধু রেলসেতু। এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের দীর্ঘতম ডুয়েল গেস ডাবল ট্র্যাকার রেলসেতু। জাপানের সাহায্যে দেশে প্রথমবারের মত তৈরি হচ্ছে স্প্যানের উপর সরাসরি বসানো জাপানী রেললাইন প্রযুক্তি।
এর ফলাফল ভোগ করবে উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষ। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত বর্ধিত হবে রেলসেবা। এরপর ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু দিয়ে সরাসরি কলকাতা যাবে খুলনা এক্সপ্রেস।
ডিপেন্ডেবল রানওয়ে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমনবন্দরে নতুন মাত্র যুক্ত করেছে তৃতীয় টার্মিনাল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করবে এই নতুন টার্মিনালটি।
তাছাড়া এই বছরই জাপানের সাহায্যে ২১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে নির্মাণ কাজ শুরু হবে ডিপেন্ডেবল রানওয়ের কাজ। একই চলমান ধারা অব্যাহত আছে কক্সবাজার রানওয়ের ক্ষেত্রেও। ২০২৪ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পূর্ণ শেষ হবে। এটিই হতে যাচ্ছে, দেশের দীর্ঘ রানওয়ে-সংবলিত বিমানবন্দর।
Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman
Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81