02/26/2026
নিজস্ব প্রতিবেদক | Published: 2026-02-26 16:07:55
প্রকৃতির এক রহস্যময় আচরণে মাত্র ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দ্বিতীয়বারের মতো মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় জনমনে বিশেষ উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে অনুভূত এই ভূকম্পনটির তীব্রতা রিখটার স্কেলে ৩.৭ মাত্রা ছিল বলে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) তাদের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে নিশ্চিত করেছে।
ভূ-তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই কম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সিকিম রাজ্যে, যার সুনির্দিষ্ট অবস্থান ছিল ২৭.২১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৮.২১৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।
যদিও এই মৃদু কম্পনে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো জানমালের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে এর আগে গত বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে অনুভূত ৫.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূকম্পনের রেশ কাটতে না কাটতেই পুনরায় এই ঘটনা ঘটায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য যে, বুধবার রাতের সেই কম্পনটির কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সাংগাই অঞ্চলের মনিওয়া শহর থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০১ কিলোমিটার গভীরে, যা রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকাকে প্রবলভাবে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
স্বল্প সময়ের ব্যবধানে ভিন্ন ভিন্ন দুটি উৎস থেকে উৎপন্ন এই জোড়া ভূমিকম্প বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ বড় কোনো ভূ-তাত্ত্বিক ঝুঁকির দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখন বিশেষজ্ঞ মহলে নানা বিশ্লেষণ ও আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman
Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81