September 25, 2020, 9:17 pm


আবু তাহের বাপ্পা

Published:
2020-08-06 14:16:03 BdST

সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপের আত্মসমর্পণ


সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি টেকনাফ মডেল থানার সদ্যসাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ আত্মসমর্পণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। তাকে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। 

এর আগে প্রদীপ ও টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি পুলিশ পরিদর্শক মো. লিয়াকতসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। 

সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের দায়ের করা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ৯ আসামির বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সিনহা নিহত হওয়ার সময় ওই আসামিরা উপস্থিত ছিলেন। 

আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ সিনহার বোনের করা মামলাটি আমলে নিয়ে সেটি টেকনাফ থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করতে নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে তিনি হত্যা মামলাটি তদন্তের জন্য কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫-কে দায়িত্ব দিয়ে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।

মামলার এজাহারে সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস অভিযোগ করেন, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসের নির্দেশে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করেন। 

বাদী উল্লেখ করেন যে ঘটনার কিছুক্ষণ পর ওসি প্রদীপ কুমার দাস ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি এসেই তখনও জীবিত থাকা সিনহাকে উদ্দেশ করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং তার শরীরে লাথি মারেন। মৃত্যু নিশ্চিত হলে একটি গাড়িতে তুলে সিনহাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নয় পুলিশ সদস্যসহ ১৭ জনকে প্রত্যাহার করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রদীপ ও লিয়াকত ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.


Popular Article from FT বাংলা