April 14, 2021, 7:57 am


নিজস্ব প্রতিবেদক

Published:
2021-04-05 21:35:29 BdST

লকডাউনের সংবাদ সংগ্রহ করতে যেয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত সিনিয়র সাংবাদিকদ্বয়


করোনার প্রকোপ মোকাবেলায় সরকার কর্তৃক ঘোষিত লকডাউনের প্রথম দিনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বাধার মুখে পরেন দুইজন সিনিয়র সাংবাদিক।

সোমবার আনুমানিক বেলা ১২ঃ৩০ টায় রাজধানীর মিরপুর থানার পিছনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের একটি মোবাইল কোর্ট বসে। মূলত ঐ এলাকায় সকাল থেকে দোকানপাট খোলা থাকলেও মোবাইল কোর্ট বসতে দেখে একের পর এক দোকান বন্ধ করতে দেখা যায়। উক্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজ।

বাংলাদেশের শীর্ষ বার্তা সংস্থা ইউএনবির চীফ ক্রাইম রিপোর্টার এবং বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টারস এসোসিয়েশনের সিনিয়র সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমের ভিডিও ধারণ করতে থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে বাধা প্রদান করে। তখন সেখানে দৈনিক সিটিজেন টাইমসের চীফ ক্রাইম রিপোর্টার আবু হেনা মোঃ আক্তার হোসেন প্রতিবাদ করলে তাকেও বাধা দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজ।

পরবর্তীতে পরিচয় জানতে চাইলে আইডি কার্ড দেখানোর পরেও ভিডিও ধারণ করতে দেয়া হয়নি।

পাশাপাশি মোবাইল কোর্টে দায়িত্বরত মিরপুর থানার এসআই সাদ্দাম ঐ দুই প্রতিবেদকদের  সাথে প্রচন্ড দুর্ব্যবহার করে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পাবলিক রিলেশন অফিসার এস এম মামুন টেলিফোনে ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজকে প্রতিবেদকদের পরিচয় নিশ্চিত করার পরেও ভিডিও ধারণ কিংবা ছবি তুলতে বাধা প্রদান করা হয়।

এই বিষয়ে জানতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফিন্যান্স টুডেকে বলেন, "সেখানে আসলে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি ঘটে। এজন্য আমরা সবাই দুঃখিত। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা সতর্ক থাকবো। পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাংবাদিকগন উভয়েই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দায়িত্ব পালন করবো বলে আশাবাদী।"

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.


Popular Article from FT বাংলা