May 13, 2021, 10:06 pm


বিশেষ প্রতিবেদক

Published:
2021-04-13 17:53:49 BdST

রাজধানীর ৩৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের উপর নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা - ৩ দিনেও মামলা নেয়নি ওয়ারী থানা


১১ই এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে ৩৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবিব জুয়েল, নাজমুল রাসেল, আসাদুজ্জামান লিপন এবং সালাউদ্দিন রাসেলের উপর কামরুননেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বর্বরোচিত ও নৃশংস হামলা চালায় একই ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ফুয়াদ ফয়সাল জনের নেতৃত্বে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রুপ। এই গ্রুপটিকে সহযোগিতা করে এলাকার চিহ্নিত আরেকটি সন্ত্রাসী দল যারা মূলত বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

উক্ত হামলায় মারাত্মকভাবে আহত ৪ জন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে স্থানীয় জনগন উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যায়। করোনা পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হওয়ার কারনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আহত নেতৃবৃন্দকে আপদকালীন চিকিৎসা দিয়ে বাসায় প্রেরন করে।

আহতদের অবস্থা এতোই সংকটাপন্ন যে তাদের পুরোপুরি সুস্থ হতে অন্তত ২/৩ মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। 

এদিকে এই নৃশংস ও কাপুরুষোচিত হামলার ঘটনা শুনে হাসপাতালে ছুটে আসেন ৩৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রোকন উদ্দিন আহমেদ। তিনি আহত নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে রাত আনুমানিক ৩টায় ওয়ারী থানায় ছুটে যান হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ওয়ারী থানা পুলিশ মামলা গ্রহন না করে একটি লিখিত অভিযোগ রেখে দিয়ে পরেরদিন থানায় যোগাযোগ করতে বলে। 

থানা পুলিশ মামলা গ্রহন না করায় হামলাকারীরা উৎসাহিত হয়ে দ্বিগুন শক্তি নিয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। এমনকি পরেরদিন সোমবার এলাকায় মিছিল করে।

এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলর রোকন উদ্দিন আহমেদ একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের নির্দেশক্রমে ৩৯ নং ওয়ার্ডকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও জনগনকে সাথে নিয়ে রাতদিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আর এতেই ক্ষুদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রুপ ঐক্যবদ্ধভাবে এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালায় কাউন্সিলরের অনুসারীদের উপর। মূলত এলাকার ফুটপাত এবং নির্মানাধীন ভবনসমূহে চাঁদাবাজি বন্ধ হওয়ার কারনেই এই নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। 

এদিকে এই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও ওয়ারী থানা পুলিশ কোন এক অদৃশ্য কারনে মামলা নিতে গড়িমসি করছে। ওয়ারী থানার এই রহস্যময় আচরন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। স্থানীয় জনগনের মাঝে এনিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ সঞ্চার হয়েছে। 

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.


Popular Article from FT বাংলা