আবু তাহের বাপ্পা

Published:
2019-12-05 20:50:59 BdST

নভেম্বরে সব খাতে আয় কমেছেরফতানি আয়ে বড় ধস


এফটি বাংলা

ধস নেমেছে দেশের রফতানি আয়ে। প্রতি মাসেই আয় কমছে। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স হয়েছে নভেম্বর মাসে। এ মাসে রফতানি আয় কমেছে ১০ শতাংশের বেশি।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাসিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আগের মাসেও রফতানি আয় ব্যাপকভাবে কমেছিল। ওই মাসে গত বছরের অক্টোবর মাসের তুলনায় রফতানি আয় কমেছিল ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। নভেম্বরে আয় কমেছে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে এ মাসের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কমেছে ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে (জুলাই’১৯-নভেম্বর’১৯) গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি খাতে আয় কমেছে সাড়ে দশমিক ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ কমেছে রফতানি আয়।

রফতানি আয়ের প্রধান খাতগুলোর মধ্যে প্রতিটি খাতেই আয় কমেছে। গত ৫ মাসে তৈরি পোশাক খাতে ১ হাজার ৩০৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে ৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ কম। গত বছর একই সময়ে এই খাতে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৪১৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

আলোচিত সময়ে ওভেন পোশাকে রফতানি আয় কমেছে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, আর নিট পোশাকে ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অন্যদিকে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এই দুই খাতে আয় কমেছে যথাক্রমে ১৮ দশমিক ২০ ও ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

জুলাই-নভেম্বর সময়ে চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রফতানি খাতেও আয় ব্যাপকভাবে কমেছে। এ সময়ে খাতটি থেকে ৩৯ কোটি ১০ লাখ ডলার আয় হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ০৩ এবং এবারের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ কম।

আলোচিত সময়ে প্রাথমিক পণ্য (কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ ইত্যাদি) রফতানি কমেছে সাড়ে ৪ শতাংশের মতো।

তবে এত খারাপ খবরের মধ্যেও একটু আশা জাগানিয়া পারফরম্যান্স দেখিয়েছে এক সময়ের সোনালী আঁশ খ্যাত পাট। আলোচিত সময়ে পাট খাতে রফতানি আয় গত বছরের আয় এবং চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রা-দুটোর চেয়েই বেশি হয়েছে।

এ সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৪৭ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.


Popular Article from FT বাংলা