April 26, 2026, 7:08 pm


শাহীন আবদুল বারী

Published:
2026-04-26 16:52:47 BdST

প্রতিমন্ত্রী টুকুর সার্বক্ষণিক ভাবনায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন


সার্বক্ষণিক যার ভাবনায় শুধুই দেশ এবং দেশের মানুষ, তিনি হলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (এমপি)। গত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর আসন থেকে জনগণের রায়ে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৭ ফেব্রুয়ারী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে কাজ শুরু করেন। টাঙ্গাইলের কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে গত ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিয়ে "কৃষি কার্ড" উদ্বোধন করান। জনগণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন অবিরাম। তার কাছে ভিড়তে কোন টিকিট বা অনুমতির প্রয়োজন হয় না সাধারণ মানুষের। রাত-বিরেতেও নেতার সাথে দেখা করে দুঃখ দুর্দশা এবং সমস্যার কথা জানাতে পারেন টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের সব জেলার মানুষ। হাসিমুখে সাক্ষাৎ দেন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সাথে। প্রিয় নেতার নিরলস প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমে এগিয়ে যাচ্ছে টাঙ্গাইল। পূরণ হচ্ছে সাধারণ মানুষের স্বপ্ন।

নির্বাচনের আগে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জননেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একে একে তিনি জনগনকে দেয়া ওয়াদার বাস্তবায়ন করে চলেছেন। সরকার গঠনের গত প্রায় দুই মাসে তিনি সদরের উন্নয়ন তথা মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। সকলের সহযোগীতা থাকলে আগামী পাঁচ বছরে সকল প্রতিশ্রুতি পুরনে সফল হবেন বলে তিনি আশাবাদী। 

এদিকে, সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে নিয়ে মিথ্যাচার করা ব্যক্তিদের মুখে এখন চুন-কালির দাগ পড়েছে। তারা চুপসে গেছেন মিউ বিড়ালের মতো। তবে আবু জেহেলের বংশধররা টুকুকে নিয়ে এখনও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বর্তমানে কেন্দ্রিয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক। এর আগে তিনি ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজপথের লড়াকু যোদ্ধা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। পতিত সরকারের শাসনামলে তিনি অসংখ্যবার জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কারাগার ছিলো তার বাড়ি-ঘর। তাকে রাখা হতো ডিটেনশন ক্যাম্পে।

বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের এলাকা ভিত্তিক ভালো-মন্দ কাজের পুরুস্কার দিবেন ৬ মাস পর। এতে কারো ডিমোশন হবে, আবার কাউকে পদোন্নতি দিয়ে পুরস্কৃত করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে টাঙ্গাইলবাসীর ন্যায্য দাবি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে যেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থেকে "মন্ত্রী" হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়ন তথা জনগনের ভাগ্যোন্নয়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী টুকু। নির্বাচনের আগে জনগনকে দেয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছেন নিরলসভাবে। ইতোমধ্যে সদরের মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটারের মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কয়েক কোটি টাকার কাজ শুরু হয়েছে। যেমন- মগড়া ইউনিয়নে ১৭০ মিটার ব্রীজ নির্মানের চুড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। গত শুক্রবার ব্রীজ নির্মানের ডিজাইন টিম প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেছে। এই ব্রীজটি ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের প্রানের দাবি ছিলো। একটি সেতুর অভাবে এই অঞ্চলের মানুষ বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছে। ব্রিজ না থাকায় এলাকার মানুষের দুঃখ দুর্দশার শেষ ছিল না। নির্বাচন আসলেই প্রার্থীরা সেতু নির্মানের আশ্বাস দিতেন। অথচ আজ অবধি সেতু নির্মান হয়নি। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নির্বাচনের আগে সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এর দুই মাস পেরুতেই সেখানে সেতু নির্মানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেতু নির্মান কাজের উদ্বোধন করবেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ।

নির্বাচনের আগে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর আরও একটি কঠিন প্রতিশ্রুতি ছিল টাঙ্গাইল থেকে মাদক, সন্ত্রাস, দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা। এছাড়াও কিশোর গ্যাং নির্মুলের ওয়াদা করেছিলেন তিনি। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃংখলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে দুই শতাধিক মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অনেকের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ গত বুধবার শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে অন্তত ৪০ জন মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রতিদিনই মাদকের আস্তানা ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কিশোরগ্যাং নির্মুলেও পুলিশ অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন অপরাধী প্রেপ্তার হয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নির্বাচিত হয়েই দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ বার্তা দেন। তিনি ঘোষনা দেন চাঁদাবাজ ও দখলবাজ যে দলেরই হোক কেউ রক্ষা পাবেনা। একইসাথে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দেন তিনি। যে কারনে পুলিশের কাছে চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যের তেমন কোন অভিযোগ করেনি কেউ।

আইনশৃংখলা পরিস্থিতি গত ৫০ বছরে এমনটা দেখেনি সদরের মানুষ। এরপরেও টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অপরাধমুলক কর্মকান্ডের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই বিষয়ে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জনন্দিত নেতা টুকু। দলের কোন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অপরাধমুলক কোন অভিযোগ আসলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষনা দিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, এক সময়ে টাঙ্গাইল ছিল সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য। চাঁদাবাজি,বোমাবাজি, দখলবাজি আর আগ্নেয়াস্ত্রের ঝনজনানী। সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি ছিল টাঙ্গাইল সদর উপজেলাসহ পুরো জেলার ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। অতীতের সেসব স্মৃতি এখনো কাঁদায় শান্তি প্রিয় মানুষকে। বিশেষ করে সদরের মানুষ অভিবাবক শুন্য হয়ে পড়েছিল। সুলতান সালাউদ্দিকে পেয়ে মানুষের মাঝে আস্থা ফিরে এসেছে। তাকে দিয়েই উন্নয়নের পাশপাশি মাদক, দখল ও চাঁদবাজি সহ সকল অপরাধ ও অন্যায়ের অবসান হবে এমন প্রত্যাশা জেগেছে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ।

নির্বাচনের আগে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সদরের মানুষকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এরমধ্যে অন্যতম ছিল বিশেষ করে চরাঞ্চলের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, কালবাট, বেরিবাদ, মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যপক উন্নয়ন করা হবে। এরমধ্যে অগ্রাধিকার ছিলো বেঁড়িবাঁধ নির্মান। একই সাথে বেঁড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী গড়ে তোলা। প্রতিশ্রুতি অনুয়ারী, তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয় গুলোতে যোগাযোগ করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ক্রমান্বয়ে টুকুর পরিশ্রম ও চেষ্টায় সবগুলো প্রতিশ্রুতি সফল হবে বলে টাঙ্গাইল সদরের মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাবার পর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বরারব একটি আবেদন করেছেন। এতে তিনি দাবি জানান, ১২টি উপজেলা নিয়ে বৃহৎ টাঙ্গাইল জেলা। এই জেলার বড় একটি অংশ এখনো যোগাযোগ ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে। ফলে জনসাধারনের চলাচল, জনগোষ্ঠীর নিন্ম আয়ের কর্মসংস্থান, শিল্প কারখানা স্থাপন এবং কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। এ অবস্থায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের নিমিত্তে টাঙ্গাইল জেলায় একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন প্রয়োজন। এরজন্য মন্ত্রীর সহযোগীতা কামনা করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এদিকে কাগমারী-চারাবাড়ি-তোরাপগঞ্জ রাস্তায় ধলেশ্বরী নদীর উপর ৩২০ মিটার ব্রীজ ও ৬৫০ মিটার ব্রীজ এবং শিবপুর বাজার-কাশিনগর খেয়াঘাট রাস্তায় ধলেশ্বরী নদীর উপর ২৫০ মিটার ব্রীজ নির্মানের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন। একইভাবে ফতেপুর আনেহলা রাস্তায় ১২০ মিটার ব্রীজ, তোরাপগঞ্জ- আব্দুল্লাহ পাড়া রাস্তায় ১০০ মিটার ব্রীজ, আয়নাপুর-দুর্গাপুর- রাঙ্গাচিড়া সড়কে ১৫০ মিটার, কাবিলা পাড়া-পোড়াবাড়ি- খারজানা-বড় বেলতা রাস্তায় ১২০ মিটার ব্রীজ ও কাতুলী ইউনিয়নের কাজির মোড়- মাকড়কোল-ব্রাক্ষনমোড়-ভবানীপুর রাস্তায় ১০০ মিটার ব্রীজ নির্মানের জন্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন। এসব আবেদনের প্রেক্ষিতে কতৃপক্ষ অতি তারাতারি ব্যবস্থা নিবে এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সদর উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের জন্য ১৪৭ টি রাস্তা ও ছোট বড় কালভার্ট নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে ডিও লেটার দিয়েছেন। একইভাবে ৩০৭টি মসজিদ মন্দিরের উন্নয়নের জন্য তিনি ডিও লেটার দিয়েছেন। যা খুব শীঘ্রই বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।

পবিত্র মাহে রমজানে টাঙ্গাইল সদরে ১৮ টি ওয়ার্ড এবং ১২ টি ইউনিয়নের বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই প্রথম বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে ইফতার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এসবই সম্ভব হয়েছে তাদের প্রিয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সার্বিক প্রচেষ্টায়। একজন কৃষকের ভাষ্য হচ্ছে,তার সুদ সহ দশ হাজার টাকা ঋণ মওকুফ হয়েছে। তিনি বলেন,যারা টুকুকে ধানের শীষে ভোট দেননি,তারাও সরকারের এই সুযোগ গ্রহণ করেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে খরিপ-১ মৌসুমে পাট ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাট বীজ, সার ও কৃষি সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। সদরের বৃহৎ চরাঞ্চলে পতিত যেসব জমি রয়েছে, ওইসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে এই প্রথম চরাঞ্চলে সেচযন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পাট বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া ঈদে জনগণের ভোগান্তি কমাতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নিজেই মাঠে নামেন। সদরে যানজট নিরসনে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের মাঠে নামানো হয়। ইতিপূর্বে কোন এমপি রাস্তায় দাড়িয়ে যানজট নিরসনের কোন নজির নেই।

গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান টাঙ্গাইলে ১৪৭০ টি কৃষি কার্ড উদ্বোধন করেন।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে সাজ সাজ রব ও উৎসবের আমেজে পরিণত হয় টাঙ্গাইল সদর। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ও দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকে ঘিরে টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলাগুলোতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে কৃষকদের মাঝে ঈদ আমেজ মনে হয়েছে।কারণ স্বাধীনতার ৫৪ বছরে কোন সরকার কৃষকদের জন্য "কৃষি কার্ড" এর ব্যবস্থা করেনি। টাংগাইল সদরের নন্দিত এমপি, সরকারের মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর আপ্রাণ চেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে কৃষকদের মাঝে "কৃষি কার্ড" বিতরণ ও উদ্বোধন করেন। প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নেতৃত্বেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সফরে যান।

জানতে চাওয়া হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের সকলের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রীকে দেশ পরিচালনা করতে সার্বিক সহযোগিতা করা আমাদের একান্ত কাম্য। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথে হাঁটছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, টাঙ্গাইল সদর হবে উন্নয়নের মডেল শহর। নির্বাচনে জনগণকে, আমার দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.