May 12, 2026, 2:12 am


নিজস্ব প্রতিবেদক

Published:
2026-05-12 00:17:55 BdST

সিগারেটের দাম সর্বনিম্ন ১৭, সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব


যুবসমাজকে ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে, অকালমৃত্যু কমাতে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে তামাকবিরোধী দুটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে সিগারেটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম সর্বনিম্ন ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সোমবার (১১ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, সিগারেটকে চারটি মূল্যস্তরে ভাগ করা হয়েছে — প্রিমিয়াম, উচ্চ, মাঝারি ও নিম্ন।

প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর সঙ্গে ৬৭ শতাংশ আবগারি শুল্ক এবং প্রতি প্যাকেটে নির্দিষ্ট ৪ টাকা কর যোগ হলে প্রতিটি সিগারেটের দাম দাঁড়াবে ৩৫ টাকা।

উচ্চ মূল্যস্তরে প্রতি প্যাকেটের দাম আগের তুলনায় ১০ টাকা বাড়িয়ে ১৫০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। ৬৭ শতাংশ আবগারি শুল্ক ও প্যাকেটপ্রতি ৪ টাকা নির্দিষ্ট কর যুক্ত হলে প্রতি শলাকার দাম হবে ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা, যা বর্তমানের চেয়ে প্রায় ২ টাকা বেশি।

মধ্যম ও নিম্ন স্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম যথাক্রমে ৮০ ও ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে উভয় ক্ষেত্রেই ১০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই হারে আবগারি শুল্ক ও নির্দিষ্ট কর যোগ হলে প্রতিটি সিগারেটের দাম হবে ১৭ টাকা ১ পয়সা।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, সিগারেটের দাম বাড়ালে লক্ষাধিক তরুণ-তরুণী ধূমপান থেকে বিরত থাকবেন এবং একই সঙ্গে সরকারের কর আয়ও বৃদ্ধি পাবে। তারা সতর্ক করে জানান, বাংলাদেশে ক্যানসারসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.