সামি

Published:
2020-03-23 17:21:15 BdST

কাল থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা


নিউজ ডেস্ক

করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এসময় শুধু পুলিশ, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা খোলা থাকবে।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও সতর্কতামূলক বিষয় হিসেবে সেনা মোতায়েন করা হবে। করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধ কার্যক্রমে মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করবে সশস্ত্র বাহিনী।

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সরকারি ছুটি এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মূলত ২৬ মার্চ থেকেই সারাদেশের সরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে। এছাড়া ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ৫ এপ্রিল থেকে সরকারি অফিসগুলো খোলা থাকবে।

ছুটিকালীন সময় ব্যাংক সীমিত আকারে খোলা থাকবে। গরীব মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা দেবে এ সময় সরকার।

করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মসজিদে না গিয়ে বাড়িতে নামাজ পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। এ সময় অফিস আদালতের কাজ অনলাইনে করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে মনিটরিং করছেন। তিনি নির্দেশনা দিচ্ছেন। এটা শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার নয়। এটা সবাই মিলে মোকাবিলা করতে হবে। স্যোশাল ডিসটেন্সটাই মূল। সবাই মিলে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, জনগনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেছেন। ইতিপূর্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান স্থগিত হয়েছে। ২৬ মার্চ অনুষ্ঠানও বাতিল করেছি আমরা। সবচেয়ে অগ্রাধিকার জনগন। তার জন্যই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ‘লক ডাউন’ এর ব্যাপারে নীতিগত ব্যাপারে রাজি হয়েছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, গরীব মানুষগুলো যেন নূন্যতম খেতে পারেন সে চিন্তা করেই তিনি ‘লক ডাউন’ করতে চাচ্ছিলেন না সারাদেশ। এ ‘লক ডাউন’ এ দেশের কোন মানুষ যেন না খেয়ে থাকে সেটাই শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় বিবেচ্য বিষয়।'

শেখ হাসিনা এক্ষেত্রে মানবিক বিষয় সবার আগে বিবেচনা করছেন।  তিনি মনে করছেন, প্রত্যেকটা গরীব মানুষের নূন্যতম খাবার ব্যবস্থা করেই প্রয়োজনে ‘লক ডাউন’ করা হবে। তিনি এটাও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে আংশিক ‘লক ডাউন’ হচ্ছে। মাদারিপুরের শিবচর, কিশোরগঞ্জের ভৈরবে লক ডাউন হয়েছে। যেখানে যেখোনে প্রয়োজন সেখানে সেখানে লক ডাউন হচ্ছে।

সরকার যা যা করার দরকার সবকিছু করবে। কিন্তু এমন একটা পরিস্থিতি সরকার তৈরী করতে চায় না যাতে গরীব কিংবা দরিদ্র মানুষ না খেয়ে থাকবে। গরীব দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করেই ‘লক ডাউন’ এর পথে এগুবে দেশ।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.


Popular Article from FT বাংলা